আমাদের শরীরের সবথেকে বেশি জীবাণু থাকে হাতে। কারণ হাত দিয়েই আমরা সব কাজ করে থাকি। ফলে নানা জীবাণুর বাদ আমাদের হাতে। তাই হাত পরিষ্কার না করে শরীরের সব জায়গায় হাত দেওয়ার মাশুল অনেক বড় হতে পারে। জেনে নিন হাত না ধুয়ে শরীরের কোন কোনও অংশে হাত দেওয়া উচিত নয়!
চোখ: চোখ হল শরীরের সবচেয়ে সেনসিটিভ অঙ্গ। আর আমরা কোনও কিছু তোয়াক্কা না করেই আঙুল দিয়ে চোখ ডলি। অগত্যা হাতের জীবাণু সোজা গিয়ে আক্রমণ করে চোখে। ফলে এলার্জি থেকে চোখের নানান সমস্যা দেখা দেয়। তাই হাত পরিষ্কার না করে অকারণে চোখে হাত দেবেন না। আর যদি মনের ভুলে দিয়ে বসেন তাহলে চোখে জলের ঝাপটা দিন।
মুখ: মুখের চামড়া অত্যন্ত স্পর্শকাতর। তাই যখন-তখন মুখে হাত দেওয়া যাবে না। ত্রতে মুখে ব্রণ, চুলকানি নানান সমস্যা আসতে পারে।
নাক: চোখের মতো নাকও খুব সেনসিটিভ অঙ্গ। জানেন সামান্য আঘাতেই নাক থেকে রক্ত ঝরতে পারে। তাই নাকের মধ্যে আঙুল দেওয়া একেবারেই উচিৎ নয়। এছাড়া এটা খুব খারাপ অভ্যাসও। এতে অনেকে আপনাকে নোংরাও ভাবতে পারে।
কান: কানে আঙুল কিংবা কাঠি দিয়ে চুলকানোর আরাম অব্যক্ত। কিন্তু জানেন কি? কানের মধ্যে আঙুল কিংবা কাঠি দিলে, কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকি পর্দা ফেটেও যেতে পারে।
হেলথ টিপস
Sunday, September 4, 2016
টক দই কেন খাবেন
টক দই খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। টক দইয়ের রয়েছে অনেক উপকারী গুণ। সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে, টক দই রক্তের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল এলডিএল বা ভিএলডিএল কমাতে সাহায্য করে। এতে যারা ডায়াবেটিস, হার্টের অসুখ বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন, টক দই তাদের জন্য সাহায্যকারী বন্ধুর মতো কাজ করবে। তাদের নিয়মিতভাবে অবশ্যই দৈনিক এক কাপ টক দই খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত।
টক দই ঘরে পাতা হলেই সবচেয়ে ভালো। গ্রীষ্মকালে দেহের জন্য অন্যতম আদর্শ খাদ্য টক দই। এটি অত্যন্ত পুষ্টিকর। এতে ভিটামিন ‘সি’ বাদে সব ধরনের ভিটামিন, মিনারেলস, উচ্চ মানের প্রোটিন, ফ্যাট এবং ল্যাকটোজ নামক কার্বোহাইড্রেট থাকে। অনেকের দুধ খেলে সহজে হজম হয় না, তাদের জন্য টক দই উপযুক্ত।
টক দই আমাদের দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, শিশুদের মস্তিষ্ক, দাঁত ও হাড়ের সুগঠন করে দেহের সঠিক বৃদ্ধি বজায় রাখে।
এ ছাড়া বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে; অন্ত্রনালিতে ভিটামিন ‘বি’ তৈরি করে। তাই খাদ্যতালিকায় নিয়মিত টক দই রাখুন।
টক দই ঘরে পাতা হলেই সবচেয়ে ভালো। গ্রীষ্মকালে দেহের জন্য অন্যতম আদর্শ খাদ্য টক দই। এটি অত্যন্ত পুষ্টিকর। এতে ভিটামিন ‘সি’ বাদে সব ধরনের ভিটামিন, মিনারেলস, উচ্চ মানের প্রোটিন, ফ্যাট এবং ল্যাকটোজ নামক কার্বোহাইড্রেট থাকে। অনেকের দুধ খেলে সহজে হজম হয় না, তাদের জন্য টক দই উপযুক্ত।
টক দই আমাদের দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, শিশুদের মস্তিষ্ক, দাঁত ও হাড়ের সুগঠন করে দেহের সঠিক বৃদ্ধি বজায় রাখে।
এ ছাড়া বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে; অন্ত্রনালিতে ভিটামিন ‘বি’ তৈরি করে। তাই খাদ্যতালিকায় নিয়মিত টক দই রাখুন।
জেনে নিন সানস্ট্রোক থেকে রেহাই পাওয়ার ৮ উপায়
১. পেঁয়াজ হল গরম ঠেকানোর সবচেয়ে বড় অস্ত্র। গরমে যখন নাজেহাল অবস্থা, তখন পেঁয়াজ বেটে কপালে লাগিয়ে রাখুন। শরীর খুব তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হয়ে যাবে।
২. সানস্ট্রোক ঠেকাতে শুকনো মেথি পাতা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। শুকনো মেঁথি পাতা জলে ভিজিয়ে রেখে, সেই জলে মধু মিশিয়ে, প্রতি দু’ঘণ্টা অন্তর অন্তর খান।
৩. প্রতিদিন দুই থেকে তিন গ্লাস মাঠা খান। মাঠা গরমের সময় ভীষণ ভাল কাজ করে।
৪. কাঁচা আম জলে ফুটিয়ে, তাতে নুন, চিনি এবং সামান্য গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে খান।
৫. তেঁতুলের ক্কাথ এক গ্লাস জলের সঙ্গে মিশিয়ে তাতে নুন ও চিনি মিশিয়ে খান। নিমেষে শরীরে ঠাণ্ডা অনুভূতি পাবেন।
৬. শরীর ঠাণ্ডা রাখতে বেলের সরবত পান করুন। গরমে সানস্ট্রোক ঠেকাতে অবশ্যই বেলের সরবত রোজ পান করুন।
৭. হঠাৎ করে শরীর গরম হয়ে গেলে, প্রচুর পরিমাণ পানি পান করুন।
৮. পাতিলেবুও শরীরে তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। ঠাণ্ডা জলে পাতিলেবুর রস, নুন ও চিনি মিশিয়ে খান।
২. সানস্ট্রোক ঠেকাতে শুকনো মেথি পাতা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। শুকনো মেঁথি পাতা জলে ভিজিয়ে রেখে, সেই জলে মধু মিশিয়ে, প্রতি দু’ঘণ্টা অন্তর অন্তর খান।
৩. প্রতিদিন দুই থেকে তিন গ্লাস মাঠা খান। মাঠা গরমের সময় ভীষণ ভাল কাজ করে।
৪. কাঁচা আম জলে ফুটিয়ে, তাতে নুন, চিনি এবং সামান্য গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে খান।
৫. তেঁতুলের ক্কাথ এক গ্লাস জলের সঙ্গে মিশিয়ে তাতে নুন ও চিনি মিশিয়ে খান। নিমেষে শরীরে ঠাণ্ডা অনুভূতি পাবেন।
৬. শরীর ঠাণ্ডা রাখতে বেলের সরবত পান করুন। গরমে সানস্ট্রোক ঠেকাতে অবশ্যই বেলের সরবত রোজ পান করুন।
৭. হঠাৎ করে শরীর গরম হয়ে গেলে, প্রচুর পরিমাণ পানি পান করুন।
৮. পাতিলেবুও শরীরে তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। ঠাণ্ডা জলে পাতিলেবুর রস, নুন ও চিনি মিশিয়ে খান।
Wednesday, August 31, 2016
Male Skin Tips – ছেলেরা ঘুমানোর আগে যেভাবে Skin এর যত্ন নেবেন
Male Skin Tips – ছেলেরা ঘুমানোর আগে যেভাবে Skin এর যত্ন নেবেন। আমাদের দৈনন্দিন ব্যস্ততম জীবনে পুরুষদের ত্বকের যত্ন নেয়া হয় না। দিনভর কাজ, ধুলাবালি, রাস্তার কালো ধোয়া, রোদের তাপ সব শেষে বাসায় ফিরে আয়নার নিজের চেহারা দেখে অবাক হওয়াটা শুধু বাকি থাকে। মুখে কালো ছোপ আর ধুলাবালিতে চেহারার উজ্জ্বলতা কোথায় যেনো হারিয়ে গেছে।
Male Skin Tips – ছেলেরা ঘুমানোর আগে যেভাবে Skin এর যত্ন নেবেন
প্রাকৃতিকভাবে ত্বককে উজ্জ্বল করতে শসা খুব উপকারী উপাদান হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিন বাসায় ফিরে মুখ ধোয়ার আগে শসার টুকরো দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট মুখ ঘষে ঘষে পরিষ্কার করে নিন। প্রতিদিন ব্যবহারে ত্বক অনেক পরিষ্কার হয়। এ ছাড়া শসার রস ত্বকে প্রাকিতিক মশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে।
এক চামচ কাঁচা হলুদের সঙ্গে কাঁচা দুধ মিশিয়ে পেষ্ট তৈরী করে সম্পূর্ণ মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে নিন। কাঁচা হলুদ ত্বকের কোমলতা ধরে রাখে এবং কাঁচা দুধ স্কিনের কমপ্লেকশনকে আরো ফর্সা করতে সাহায্য করে।
এলোভেরার জেলোতে প্রচুর পরিমাণে আন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ফাটা ত্বক সারিয়ে তুলতে অনেক উপকারী। সপ্তাহে ১ থেকে ২ দিন এলোভেরা জেলো মুখে মেখে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে মুখ ধুয়ে নিন। এটি ত্বকের মৃত কোষগুলো বের করে ত্বককে আরো উজ্জ্বল করে তোলে।
স্বাভাবিক ও শুষ্ক ত্বক
এ ধরনের ত্বক পরিষ্কার করার জন্য ত্বক উপযোগী ক্লিনজিং জেল বা ফোম ব্যবহার করা উচিত। ত্বক নরম ও মসৃণ থাকবে। ক্লিনজার নিয়ে হালকাভাবে ত্বকে ম্যাসাজ করুন। তারপর ভেজা তুলা দিয়ে মুছে ফেলুন। ভেজা তুলা ব্যবহার করলে ত্বকের ময়েশ্চার বজায় থাকবে ভালোভাবে।
ক্লিনজিংয়ের (Cleanser) পর জরুরি টোনিং (Toning)। ভিজা তুলা দিয়ে স্কিন টোনার লাগান। টোনারের বদলে গোলাপ পানিও ব্যবহার করতে পারেন। টোনিংয়ের পর রিশিং ক্রিম বা পাইট ক্রিম দিয়ে ম্যাসাজ করুন। ত্বক যদি বেশি শুষ্ক প্রকৃতির হলে ক্রিম লাগানোর পর হালকা ময়েশ্চারাইজিং লোশন ( Moisturising lotion) লাগাতে পারেন, না হলে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর দরকার নেই।
সেনসেটিভ ত্বক
ত্বকে ব্রণের সমস্যা থাকলে মেডিকেটেড সোপ বা ক্লিনজার ব্যবহার করা ভালো। ত্বকের অতিরিক্ত তেল সরিয়ে আপনার ত্বককে ফ্রেস রাখবে। এছাড়া ব্রণ কমাতে চন্দনবাটা সারারাত লাগিয়ে রাখতে পারেন। স্যালাইসিলিক অ্যাসিডসমৃদ্ধ ক্রিম লাগাতে পারেন। তবে এতে ত্বকে টানভাব দেখা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে পুরো মুখে অ্যালোভেরা জেল হালকা করে লাগাতে পারেন। ক্লে মাক্সও লাগাতে পারেন। খুব ঠাণ্ডা বা গরম পানি দিয়ে মুখ ধোয়া উচিত নয়। মুখ পরিষ্কার করার পর ভালো করে পানি দিয়ে মুখ ধোবেন। বিশেষ করে ত্বক তৈলাক্ত প্রকৃতির হলে মুখ ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে নেবেন। ত্বক শুষ্ক ধরনের হলে অ্যালোভেরা, লেবুসমৃদ্ধ সাবান ব্যবহার করবেন না। এছাড়া ত্বকে ব্রণ থাকলে লেবু জাতীয় কিছু সরাসরি না লাগানোই ভালো।
তৈলাক্ত ও মিশ্র ত্বক
এ ধরনের ত্বকের জন্য ভালো ক্লিনজিং লোশন বা ক্লিনজিং মিল্ক (Cleansing Milk) মুখে ভালোভাবে লাগানোর পর ভিজা তুলা দিয়ে মুখ মুছে ফেলুন। সাবানবিহীন ক্লিনজার বা ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। সাবানের মতো ফেসওয়াশ হাতে নিয়ে মুখে লাগাবেন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তারপর টোনার বা অ্যাস্ট্রিনজেন্ট (Astringent) লাগান। তৈলাক্ত ত্বকে নারিশিং ক্রিম ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ এতে ত্বক আরও তৈলাক্ত হয়ে যেতে পারে এবং রোমকূপ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগাতে পারেন। মিশ্র প্রকৃতির ত্বকের শুষ্ক অংশে নারিশিং ক্রিমও ব্যবহার করতে পারেন।
Male Skin Tips – ছেলেরা ঘুমানোর আগে যেভাবে Skin এর যত্ন নেবেন
প্রাকৃতিকভাবে ত্বককে উজ্জ্বল করতে শসা খুব উপকারী উপাদান হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিন বাসায় ফিরে মুখ ধোয়ার আগে শসার টুকরো দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট মুখ ঘষে ঘষে পরিষ্কার করে নিন। প্রতিদিন ব্যবহারে ত্বক অনেক পরিষ্কার হয়। এ ছাড়া শসার রস ত্বকে প্রাকিতিক মশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে।
এক চামচ কাঁচা হলুদের সঙ্গে কাঁচা দুধ মিশিয়ে পেষ্ট তৈরী করে সম্পূর্ণ মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে নিন। কাঁচা হলুদ ত্বকের কোমলতা ধরে রাখে এবং কাঁচা দুধ স্কিনের কমপ্লেকশনকে আরো ফর্সা করতে সাহায্য করে।
এলোভেরার জেলোতে প্রচুর পরিমাণে আন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ফাটা ত্বক সারিয়ে তুলতে অনেক উপকারী। সপ্তাহে ১ থেকে ২ দিন এলোভেরা জেলো মুখে মেখে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে মুখ ধুয়ে নিন। এটি ত্বকের মৃত কোষগুলো বের করে ত্বককে আরো উজ্জ্বল করে তোলে।
স্বাভাবিক ও শুষ্ক ত্বক
এ ধরনের ত্বক পরিষ্কার করার জন্য ত্বক উপযোগী ক্লিনজিং জেল বা ফোম ব্যবহার করা উচিত। ত্বক নরম ও মসৃণ থাকবে। ক্লিনজার নিয়ে হালকাভাবে ত্বকে ম্যাসাজ করুন। তারপর ভেজা তুলা দিয়ে মুছে ফেলুন। ভেজা তুলা ব্যবহার করলে ত্বকের ময়েশ্চার বজায় থাকবে ভালোভাবে।
ক্লিনজিংয়ের (Cleanser) পর জরুরি টোনিং (Toning)। ভিজা তুলা দিয়ে স্কিন টোনার লাগান। টোনারের বদলে গোলাপ পানিও ব্যবহার করতে পারেন। টোনিংয়ের পর রিশিং ক্রিম বা পাইট ক্রিম দিয়ে ম্যাসাজ করুন। ত্বক যদি বেশি শুষ্ক প্রকৃতির হলে ক্রিম লাগানোর পর হালকা ময়েশ্চারাইজিং লোশন ( Moisturising lotion) লাগাতে পারেন, না হলে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর দরকার নেই।
সেনসেটিভ ত্বক
ত্বকে ব্রণের সমস্যা থাকলে মেডিকেটেড সোপ বা ক্লিনজার ব্যবহার করা ভালো। ত্বকের অতিরিক্ত তেল সরিয়ে আপনার ত্বককে ফ্রেস রাখবে। এছাড়া ব্রণ কমাতে চন্দনবাটা সারারাত লাগিয়ে রাখতে পারেন। স্যালাইসিলিক অ্যাসিডসমৃদ্ধ ক্রিম লাগাতে পারেন। তবে এতে ত্বকে টানভাব দেখা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে পুরো মুখে অ্যালোভেরা জেল হালকা করে লাগাতে পারেন। ক্লে মাক্সও লাগাতে পারেন। খুব ঠাণ্ডা বা গরম পানি দিয়ে মুখ ধোয়া উচিত নয়। মুখ পরিষ্কার করার পর ভালো করে পানি দিয়ে মুখ ধোবেন। বিশেষ করে ত্বক তৈলাক্ত প্রকৃতির হলে মুখ ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে নেবেন। ত্বক শুষ্ক ধরনের হলে অ্যালোভেরা, লেবুসমৃদ্ধ সাবান ব্যবহার করবেন না। এছাড়া ত্বকে ব্রণ থাকলে লেবু জাতীয় কিছু সরাসরি না লাগানোই ভালো।
তৈলাক্ত ও মিশ্র ত্বক
এ ধরনের ত্বকের জন্য ভালো ক্লিনজিং লোশন বা ক্লিনজিং মিল্ক (Cleansing Milk) মুখে ভালোভাবে লাগানোর পর ভিজা তুলা দিয়ে মুখ মুছে ফেলুন। সাবানবিহীন ক্লিনজার বা ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। সাবানের মতো ফেসওয়াশ হাতে নিয়ে মুখে লাগাবেন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তারপর টোনার বা অ্যাস্ট্রিনজেন্ট (Astringent) লাগান। তৈলাক্ত ত্বকে নারিশিং ক্রিম ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ এতে ত্বক আরও তৈলাক্ত হয়ে যেতে পারে এবং রোমকূপ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগাতে পারেন। মিশ্র প্রকৃতির ত্বকের শুষ্ক অংশে নারিশিং ক্রিমও ব্যবহার করতে পারেন।
ত্বকের সৌন্দর্যে Steam Facial – Fashion Tips
সুন্দর ত্বক হলো সৌন্দর্যের পূর্বশর্ত। তাই ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখর জন্য ফেসিয়ালের গুরুত্ব অপরিসীম। ফেসিয়াল শুধু ত্বককে সজীব করে তোলে না, বরং ত্বক করে আরো সুন্দর। তবে স্টিম ফেসিয়াল ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। কেননা উত্তপ্ত বাষ্প লোমকূপের মুখকে প্রসারিত করে। ফলে ধূলো ময়লা ও অবাঞ্ছিত তৈলাক্ত পদার্থ আটকে থাকা সব ময়লা পরিষ্কার হয়ে যায়। ফলে ত্বক অনেক পরিষ্কার থাকে। আমরা বেশিরভাগই ত্বকের সজীবতা ধরে রাখার জন্য অবশ্য পার্লারে ফেসিয়াল করে থাকি। কিন্তু যারা সময়ের অভাবে পার্লারে যেতেই পারেন না, তারাও বাসায় বসেই স্বল্প সময়ে সারতে পারেন ফেসিয়ালের কাজ। এক্ষেত্রে জেনে নিন ত্বক পরিষ্কারের একটি সহজ উপায়।
ত্বকের সৌন্দর্যে Steam Facial – Fashion Tips
-মাথার চুল পিছন দিকে আঁচড়ে বেঁধে ফেলুন।
-একটা বড় গামলায় অর্ধেকটা ফুটন্ত গরম পানি নিন।
-একটা বড় তোয়ালে পিঠের দিক থেকে মাথার উপরে টেনে গামলা ঢেকে দিন যাতে বাষ্প বেরিয়ে যেতে না পারে। অনেকটা তাবুর মত করে তোয়ালে দিয়ে ঝুঁকে পড়া মাথা সমেত গামলা ঢেকে দিন।
-চোখ দুটো বন্ধ করুন।
-মাঝে মাঝে তোয়ালে সরিয়ে শ্বাস নিবেন। চামুচ দিয়ে মাঝে মাঝে পানি নাড়িয়ে দিলে বেশি করে বাষ্প উঠতে থাকবে। ১০ মিনিট ভাপ নিন।
-পানিতে আপনি ইচ্ছে করলে বিভিন্ন রকম প্রাকৃতিক উপাদান মিশাতে পারেন। যেমন- ২টি লেবুর রস অথবা খোসা, ২ চামুচ থেঁতো মৌরি।
-ভাপ নেওয়া শেষ হলে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন।
-সব শেষে ময়েশ্চারাইজার ক্রিম মেখে নিন। গামলার বদলে বেসিনের ফুটো বন্ধ করে করতে পারেন।
ত্বকের যত্নে নিয়মিত বাসায় বসে স্টিম ফেসিয়াল করুন। কেননা গরম পানির ভাপ মুখে নিলে তা ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে। ফলে ত্বক সজীব থাকার পাশাপাশি হয়ে উঠবে আরও সুন্দর।
Method Doing a Full Steam Facial
Bring a small pot of water to a boil. You only need a few cups of water to do a proper steam. …
Wash your face. …
Pour the water into a bowl. …
Add herbs or essential oils. …
Hold your face over the steaming water. …
Smooth a mask over your face. …
Use a toner to close your pores. …
Moisturize your face.
ত্বকের সৌন্দর্যে Steam Facial – Fashion Tips
-মাথার চুল পিছন দিকে আঁচড়ে বেঁধে ফেলুন।
-একটা বড় গামলায় অর্ধেকটা ফুটন্ত গরম পানি নিন।
-একটা বড় তোয়ালে পিঠের দিক থেকে মাথার উপরে টেনে গামলা ঢেকে দিন যাতে বাষ্প বেরিয়ে যেতে না পারে। অনেকটা তাবুর মত করে তোয়ালে দিয়ে ঝুঁকে পড়া মাথা সমেত গামলা ঢেকে দিন।
-চোখ দুটো বন্ধ করুন।
-মাঝে মাঝে তোয়ালে সরিয়ে শ্বাস নিবেন। চামুচ দিয়ে মাঝে মাঝে পানি নাড়িয়ে দিলে বেশি করে বাষ্প উঠতে থাকবে। ১০ মিনিট ভাপ নিন।
-পানিতে আপনি ইচ্ছে করলে বিভিন্ন রকম প্রাকৃতিক উপাদান মিশাতে পারেন। যেমন- ২টি লেবুর রস অথবা খোসা, ২ চামুচ থেঁতো মৌরি।
-ভাপ নেওয়া শেষ হলে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন।
-সব শেষে ময়েশ্চারাইজার ক্রিম মেখে নিন। গামলার বদলে বেসিনের ফুটো বন্ধ করে করতে পারেন।
ত্বকের যত্নে নিয়মিত বাসায় বসে স্টিম ফেসিয়াল করুন। কেননা গরম পানির ভাপ মুখে নিলে তা ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে। ফলে ত্বক সজীব থাকার পাশাপাশি হয়ে উঠবে আরও সুন্দর।
Method Doing a Full Steam Facial
Bring a small pot of water to a boil. You only need a few cups of water to do a proper steam. …
Wash your face. …
Pour the water into a bowl. …
Add herbs or essential oils. …
Hold your face over the steaming water. …
Smooth a mask over your face. …
Use a toner to close your pores. …
Moisturize your face.
গর্ভকালীন ৫ সাধারণ সমস্যা
মা হওয়ার সময় একটি মেয়ের শরীর ও মনে ঘটে নানা স্বাভাবিক পরিবর্তন ও প্রতিক্রিয়া। প্রায় প্রতিটি মেয়েরই এমন কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়, যা সহজে মানিয়ে নেওয়ার জন্য চাই কিছু বাড়তি যত্ন। চলুন জেনে নিই এমন পাঁচটি পরিচিত সমস্যার কথা।
সকালে…
সকালবেলা বিছানা ছাড়ার পরই প্রচণ্ড বমি ভাব, বমি, মাথা ঘোরা—এই উপসর্গের নাম মর্নিং সিকনেস। প্রথম সন্তান ধারণের সময় এটি বেশি হয় এবং দেখা দেয় প্রথম ও দ্বিতীয় মাসেই, তিন মাসের পর সাধারণত সেরে যায়। ২৫ শতাংশ নারীর এই সমস্যা একেবারে নাও হতে পারে। গর্ভাবস্থায় রক্তে কিছু হরমোনের মাত্রা বেড়ে যাওয়াই এর কারণ।
মর্নিং সিকনেস থেকে রক্ষার উপায়
১. সকালে একবারে বেশি কিছু না খেয়ে অল্প অল্প করে শুকনো খাবার, যেমন টোস্ট বিস্কুট ও আমিষসমৃদ্ধ খাবার খান।
২. তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন, যে খাবার দেখলে বা খেলে বমির উদ্রেক হয় তাও এড়িয়ে চলুন।
৩. চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবন করতে পারেন।
৪. অতিরিক্ত বমি হলে বা পানিশূন্যতা বা লবণশূন্যতা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
পায়ে পানি আসা
গর্ভাবস্থায় পায়ে অল্প পানি জমাটা স্বাভাবিক। এ জন্য আতঙ্কিত হওয়ার বা চিকিৎসা নেওয়ারও কিছু নেই।
১. বেশিক্ষণ পা ঝুলিয়ে বসে থাকবেন না, পায়ের নিচে মোড়া বা টুল দিন।
২. খাবারে অতিরিক্ত লবণ এড়িয়ে চলুন।
৩. বিশ্রাম বা ঘুমের সময় পায়ের নিচে বালিশ দিতে পারেন।
৪. পা অনেক বেশি ফুলে গেলে, যদি দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে, মাথা ব্যথা হয় বা রক্তচাপ বেড়ে যায় তবে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
কোমর ব্যথা
৫০ শতাংশ মেয়ে কোমর ব্যথায় আক্রান্ত হয়। ওজন বৃদ্ধি ও অস্থিসন্ধির শিথিলতা এর জন্য দায়ী। তবে উঁচু হিলের জুতা পরা, প্রস্রাবে সংক্রমণ বা কোষ্ঠকাঠিন্যও এর কারণ হতে পারে। পা উঁচু করে বিশ্রাম নিলে কিছুটা আরাম পাবেন। সঠিক ভঙ্গিতে শোয়া বা বসা, শক্ত বিছানা ব্যবহার করা, কোমরে মালিশ বা সেঁক এবং বেশি ব্যথা হলে পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খেতে পারেন।
ঘন ঘন প্রস্রাব
৮ থেকে ১২ সপ্তাহে এই বিরক্তিকর সমস্যা দেখা দেয়। জরায়ুর আকার বড় হওয়ার কারণে মূত্রথলিতে চাপ দেয় বলে এমন ঘটে। ১২ সপ্তাহের পর সেরে গেলেও শেষ দিকে শিশুর মাথা নিচে নামতে শুরু করলে মূত্রথলিতে চাপ দিলে আবার দেখা দেয়। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া বা তলপেটে ব্যথা না থাকলে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই।
পেট শক্ত হয়ে আসা
মাঝেমধ্যে পেশির সংকোচনের জন্য পেট শক্ত হয়ে আসে। সাধারণত ব্যথা থাকে না এবং একটু পর নিজেই চলে যায়। তবে ব্যথা যদি থাকে ও তীব্রতা বাড়তে থাকে সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কোষ্ঠকাঠিন্য বা প্রস্রাবে সংক্রমণ থাকলে চিকিৎসা করুন।
সকালে…
সকালবেলা বিছানা ছাড়ার পরই প্রচণ্ড বমি ভাব, বমি, মাথা ঘোরা—এই উপসর্গের নাম মর্নিং সিকনেস। প্রথম সন্তান ধারণের সময় এটি বেশি হয় এবং দেখা দেয় প্রথম ও দ্বিতীয় মাসেই, তিন মাসের পর সাধারণত সেরে যায়। ২৫ শতাংশ নারীর এই সমস্যা একেবারে নাও হতে পারে। গর্ভাবস্থায় রক্তে কিছু হরমোনের মাত্রা বেড়ে যাওয়াই এর কারণ।
মর্নিং সিকনেস থেকে রক্ষার উপায়
১. সকালে একবারে বেশি কিছু না খেয়ে অল্প অল্প করে শুকনো খাবার, যেমন টোস্ট বিস্কুট ও আমিষসমৃদ্ধ খাবার খান।
২. তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন, যে খাবার দেখলে বা খেলে বমির উদ্রেক হয় তাও এড়িয়ে চলুন।
৩. চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবন করতে পারেন।
৪. অতিরিক্ত বমি হলে বা পানিশূন্যতা বা লবণশূন্যতা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
পায়ে পানি আসা
গর্ভাবস্থায় পায়ে অল্প পানি জমাটা স্বাভাবিক। এ জন্য আতঙ্কিত হওয়ার বা চিকিৎসা নেওয়ারও কিছু নেই।
১. বেশিক্ষণ পা ঝুলিয়ে বসে থাকবেন না, পায়ের নিচে মোড়া বা টুল দিন।
২. খাবারে অতিরিক্ত লবণ এড়িয়ে চলুন।
৩. বিশ্রাম বা ঘুমের সময় পায়ের নিচে বালিশ দিতে পারেন।
৪. পা অনেক বেশি ফুলে গেলে, যদি দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে, মাথা ব্যথা হয় বা রক্তচাপ বেড়ে যায় তবে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
কোমর ব্যথা
৫০ শতাংশ মেয়ে কোমর ব্যথায় আক্রান্ত হয়। ওজন বৃদ্ধি ও অস্থিসন্ধির শিথিলতা এর জন্য দায়ী। তবে উঁচু হিলের জুতা পরা, প্রস্রাবে সংক্রমণ বা কোষ্ঠকাঠিন্যও এর কারণ হতে পারে। পা উঁচু করে বিশ্রাম নিলে কিছুটা আরাম পাবেন। সঠিক ভঙ্গিতে শোয়া বা বসা, শক্ত বিছানা ব্যবহার করা, কোমরে মালিশ বা সেঁক এবং বেশি ব্যথা হলে পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খেতে পারেন।
ঘন ঘন প্রস্রাব
৮ থেকে ১২ সপ্তাহে এই বিরক্তিকর সমস্যা দেখা দেয়। জরায়ুর আকার বড় হওয়ার কারণে মূত্রথলিতে চাপ দেয় বলে এমন ঘটে। ১২ সপ্তাহের পর সেরে গেলেও শেষ দিকে শিশুর মাথা নিচে নামতে শুরু করলে মূত্রথলিতে চাপ দিলে আবার দেখা দেয়। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া বা তলপেটে ব্যথা না থাকলে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই।
পেট শক্ত হয়ে আসা
মাঝেমধ্যে পেশির সংকোচনের জন্য পেট শক্ত হয়ে আসে। সাধারণত ব্যথা থাকে না এবং একটু পর নিজেই চলে যায়। তবে ব্যথা যদি থাকে ও তীব্রতা বাড়তে থাকে সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কোষ্ঠকাঠিন্য বা প্রস্রাবে সংক্রমণ থাকলে চিকিৎসা করুন।
শিশুদের সর্দি ও নাক বন্ধ?
শীত আসি আসি করছে। আর এই সময়টাতে হঠাত্ করে ছোট শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। হঠাত্ ঠান্ডা লেগে নাক বন্ধ হওয়া, নাক দিয়ে পানি পড়া, সর্দি জমে থাকার মতো উপসর্গ দেখা দিলে শিশুরা কান্নাকাটি শুরু করে দেয় ও বিরক্ত করে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এসব উপসর্গ ভাইরাসের আক্রমণের কারণে বা অ্যালার্জির কারণে হয় এবং এক সপ্তাহের মাথায় সেরে যায়। বর্তমানে ছোট্ট শিশু ও নবজাতকদের এ ধরনের সমস্যায় কোনো ওষুধ বা চিকিত্সার চেয়ে সাধারণ যত্নআত্তির দিকেই জোর দেওয়া হয়।
-আধা কাপ কুসুম গরম পানিতে চা-চামচের ৪ ভাগের ১ ভাগ লবণ গুলে স্যালাইন ড্রপ তৈরি করুন। বাজারে স্যালাইন নাকের ড্রপ কিনতেও পাওয়া যায়।
-একটা তোয়ালে বা কাপড় রোল করে শিশুর মাথার নিচে দিয়ে তাকে চিত করে শোয়ান। এবার ৩০ থেকে ৬০ মিনিট পর পর দুই বা তিন ফোঁটা ড্রপ দিয়ে নাক পরিষ্কার করে দিন।
-ড্রপ দেওয়ার পর কাত করে শুইয়ে দিয়ে তরল সর্দি বেয়ে পড়তে দিন, টিস্যু দিয়ে মুছে দিন। কটন বাড নাকের ভেতর ঢোকাবেন না।
-দুই বছর বয়সের নিচে নাকের ডিকনজেসটেন্ট ড্রপ বা স্প্রে ব্যবহার করা নিষেধ।
ডিকনজেসটেন্ট জাতীয় ওষুধ নাকের শিরাগুলোকে সংকুচিত করবে, এটি নাক দিয়ে পানি পড়া রোধ করবে না। শিশুদের ক্ষেত্রে তিন দিনের বেশি ব্যবহার করা যাবে না।
-আধা কাপ কুসুম গরম পানিতে চা-চামচের ৪ ভাগের ১ ভাগ লবণ গুলে স্যালাইন ড্রপ তৈরি করুন। বাজারে স্যালাইন নাকের ড্রপ কিনতেও পাওয়া যায়।
-একটা তোয়ালে বা কাপড় রোল করে শিশুর মাথার নিচে দিয়ে তাকে চিত করে শোয়ান। এবার ৩০ থেকে ৬০ মিনিট পর পর দুই বা তিন ফোঁটা ড্রপ দিয়ে নাক পরিষ্কার করে দিন।
-ড্রপ দেওয়ার পর কাত করে শুইয়ে দিয়ে তরল সর্দি বেয়ে পড়তে দিন, টিস্যু দিয়ে মুছে দিন। কটন বাড নাকের ভেতর ঢোকাবেন না।
-দুই বছর বয়সের নিচে নাকের ডিকনজেসটেন্ট ড্রপ বা স্প্রে ব্যবহার করা নিষেধ।
ডিকনজেসটেন্ট জাতীয় ওষুধ নাকের শিরাগুলোকে সংকুচিত করবে, এটি নাক দিয়ে পানি পড়া রোধ করবে না। শিশুদের ক্ষেত্রে তিন দিনের বেশি ব্যবহার করা যাবে না।
Subscribe to:
Comments (Atom)




